খালাতো ও মামাতো ভাই-বোনের বি’য়ে ঠিক নয়, কারনটি সকলের জেনে রাখা দরকার
আসলে তাঁর চতুর্থ স্বা’মী।মহাভারতে কুন্তীর মুখে না’রীস্বাধীনতার এবং না’রীর একাধিক স্বা’মী গ্রহণের কথা উচ্চারিত হয়েছিল।
কুন্তীকে এক জায়গায় বলতে শোনা গিয়েছে, আগেকার দিনে মে’য়েরা নিজের পছন্দমতো যে কোনও পুরু’ষকে তার স’ঙ্গী হিসেবে নির্বাচন করতে পারত। পরবর্তী কালে না’রীর এই অধিকার খর্ব করা হয়। বিবাহের নতুন নিয়ম চালু হয় সমাজে। এই নিয়ম প্রচলনের ক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন শ্বেতকেতু। পৌরাণিক কাহিনি অনুসারে, এক দিন শ্বেতকেতু তাঁর মা-কে কোনও পরপুরু’ষের স’ঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখে ফে’লেন।তখনই তাঁর মনে প্রশ্ন জাগে, ‘তা হলে যে পুরু’ষকে আমি আমা’র পিতা বলে জানি, তিনিই কি আমা’র প্রকৃত পিতা?’ তাঁর মনে হয়, না’রীর একাধিক পুরু’ষ স’ঙ্গী না থাকাই বাঞ্ছনীয়।
না’রীর বহুবিবাহকে তিনি নি’ষিদ্ধ বলে ঘোষণা করেন। কালে কালে না’রীর উপর পুরু’ষতান্ত্রিক সমাজের অধিকার স্থাপিত হয়। না’রী কার্যত তার স্বা’মীর সম্পত্তি হয়ে ওঠে। কিন্ত এখনও বিবাহের মন্ত্রে না’রীর চা র স্বা’মীর কথা উল্লেখ হয়.

Comments
Post a Comment